ভিয়েতনামে বেড়েছে চালের বাজারদর, ভারতে স্থিতিশীল

ফিলিপাইন সরকার সেপ্টেম্বর থেকে ৬০ দিনের জন্য চাল আমদানি বন্ধ করবে।

ফিলিপাইন সরকার সেপ্টেম্বর থেকে ৬০ দিনের জন্য চাল আমদানি বন্ধ করবে। তাই আমদানি স্থগিতের সময়সীমা শুরুর আগেই ভিয়েতনাম থেকে চাল ক্রয় বাড়িয়েছেন ফিলিপাইনের ব্যবসায়ীরা। বাড়তি এ চাহিদায় গত সপ্তাহে দেশটিতে বেড়েছে খাদ্যশস্যটির দাম। অন্যদিকে এ সময় ভারতে প্রায় তিন বছরের সর্বনিম্ন স্তরে স্থিতিশীল ছিল চালের বাজারদর। খবর রয়টার্স ও বিজনেস রেকর্ডার।

উল্লেখ্য, এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে চাল উৎপাদন ও রফতানিতে ভিয়েতনাম অন্যতম শীর্ষস্থানে রয়েছে। দেশটি থেকে চাল রফতানিতে ফিলিপাইনের হিস্যা অন্যতম।

বাণিজ্যসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভিয়েতনামের ৫ শতাংশ খুদযুক্ত চালের দাম গত সপ্তাহে ছিল টনপ্রতি ৩৯৫ ডলার। এটি আগের সপ্তাহের টনপ্রতি ৩৯১ ডলারের তুলনায় বেশি।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, চাহিদা বাড়ার পাশাপাশি গ্রীষ্ম-শরৎ মৌসুমের ফসল শেষ হওয়ায় ভিয়েতনামের অভ্যন্তরীণ সরবরাহও কমে এসেছে। এটিও গত সপ্তাহে চালের মূল্যবৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

ভারতে গত সপ্তাহে ৫ শতাংশ খুদযুক্ত প্রতি টন সেদ্ধ চালের দাম টনপ্রতি ৩৬৯-৩৭৪ ডলারে স্থিতিশীল ছিল। এ সময় ৫ শতাংশ খুদযুক্ত আতপ চালের দাম দাঁড়িয়েছে টনপ্রতি ৩৬০-৩৬৮ ডলার।

মুম্বাইভিত্তিক এক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, আবহাওয়া ধান উৎপাদনের জন্য অনুকূল থাকায় চলতি মৌসুমের উৎপাদন গত বছরের রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে।

থাইল্যান্ডে গত সপ্তাহে চালের বাজারদর কমেছে। দেশটিতে এ সময় ৫ শতাংশ খুদযুক্ত চালের দাম ছিল টনপ্রতি ৩৫৫-৩৬০ ডলার। এটি আগের সপ্তাহের টনে ৩৭০ ডলারের তুলনায় কম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উভয় চাহিদা দুর্বল। এছাড়া সামনের দিনগুলোয় সরবরাহ আরো বাড়তে পারে, এমন সম্ভাবনার কারণে ব্যবসায়ীরা ক্রয় স্থগিত রেখেছেন।

এদিকে বাংলাদেশে আমদানি বৃদ্ধি এবং গত বছরের নভেম্বরে রেকর্ড উৎপাদন সত্ত্বেও চালের দাম এখনো ঊর্ধ্বমুখী। জুলাই পর্যন্ত মজুদ প্রায় ২০ লাখ টনে পৌঁছলেও রাষ্ট্রায়ত্ত ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্যমতে, বাজারদর এখনো গত বছরের তুলনায় ১৫-২০ শতাংশ বেশি।

আরও